কক্সবাজার প্রতিনিধি :
কক্সবাজারের টেকনাফে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের প্রস্তুতিকালে মানবপাচারের শিকার পাঁচজনকে উদ্ধার করেছে র্যাব। এ সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
উদ্ধারকৃতরা হলেন, কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কাকারা মিনি বাজার এলাকার বাসিন্দা সিফাত, সাইফুল ইসলাম ও শামীম এবং টেকনাফ সদর উপজেলার গোদারবিল এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হামিদ রয়েছেন। অপরজনের নাম জানতে পারেনি র্যাব।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (ল’ অ্যান্ড মিডিয়া) আ. ম. ফারুক জানান, বাহারছড়া ইউনিয়নের মধ্যম কচ্ছপিয়া এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্র সমুদ্রপথে কয়েকজনকে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য জড়ো করেছে—এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল সেখানে অভিযান চালায়। অভিযানকারী দল নুরুল কবিরের বসতবাড়ির সামনের সড়কের কাছাকাছি এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়।
তিনি আরও জানান, র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা পাঁচজন ভিকটিমকে উদ্ধার করেন। একই সময় ঘটনাস্থল থেকে একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। সংঘবদ্ধ মানবপাচারকারী চক্রের সদস্যরা আর্থিক সুবিধা লাভের উদ্দেশ্যে ওই পাঁচজনকে সমুদ্রপথে নৌকাযোগে মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য মধ্যম উপকূলীয় বাহারছড়া-কচ্ছপিয়া এলাকায় একত্রিত করেছিল। পাচারকারী চক্রটি ভিকটিমদের জবরদস্তিমূলক শ্রম ও সেবা আদায়ের অসৎ উদ্দেশ্যে বিদেশে পাচারের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তাদের সমুদ্রপথে একটি নৌযানে করে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
অভিযানের সময় পাচারকারীরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে উদ্ধার হওয়া পাঁচ ভিকটিম ও জব্দ করা মোবাইল ফোন পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের এই কর্মকর্তা।












