চট্টগ্রাম সংবাদদাতা
চট্টগ্রামে আত্মপ্রকাশ করল টেলিভিশন রিপোর্টার্সদের সংগঠন “চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক – সিট্রেন”। এতে আহ্বায়ক করা হয়েছে এখন টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান হোসাইন জিয়াদ ও যুগ্ম আহবায়ক নাগরিক টেলিভিশনের এ কে আজাদ।
চট্টগ্রামে আত্মপ্রকাশ করল টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন “চট্টগ্রাম টেলিভিশন রিপোর্টার্স নেটওয়ার্ক – সিট্রেন”। এতে আহ্বায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন এখন টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান হোসাইন জিয়াদ ও যুগ্ম আহ্বায়ক নাগরিক টেলিভিশনের এ কে আজাদ। গতকাল সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম জেলা শিল্প কলা একাডেমির শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন আর্ট গ্যালারির সম্মেলন কক্ষে এক হই, পথ চলি এই শ্লোগান নিয়ে চট্টগ্রামে কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিক বিশেষ আয়োজন “রিপোর্টার্স আড্ডা” তে উপস্থিত সাংবাদিকদের সবার সম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই সংগঠনটির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের সিনিয়র রিপোর্টার ফখরুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের ভাল সময় কিংবা ক্রান্তিলগ্নে যেকোন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষের সামনে সত্য সচিত্র সংবাদ তুলে ধরেন টেলিভিশন রিপোর্টাররা। তাই তাদের মানোন্নয়ন ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরে এই সংগঠনটি কিভাবে আজকের এই পর্যায়ে এলো তা তুলে ধরেন নাগরিক টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান এ কে আজাদ। পরে এখন টিভির ব্যুরো প্রধান হোসাইন জিয়াদ এই সংগঠনটির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বলতে গিয়ে জানান, চট্টগ্রামের রিপোর্টারদের সব বিষয় নিয়ে কাজ করতে হলেও বাণিজ্যিক নগরী হিসেবে এখানেকার সাংবাদিকদের অর্থ বাণিজ্যের বিষয় নিয়েই সবচাইতে বেশি কাজ করতে হয়। এছাড়াও সমুদ্র থাকায় চট্টগ্রামের উপকূলীয় অঞ্চল নিয়েও কাজ করার প্রচুর সুযোগ রয়েছে। এসবের বাইরেও বিভিন্ন সেক্টর ও বিষয় নিয়ে যাতে বিশেষ ভাবে কাজ করতে পারে চট্টগ্রামের সাংবাদিকরা তার জন্য নানা রকম ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি ভাল সংবাদ উপস্থাপনের জন্য বিশেষ সম্মাননা দেয়ারও লক্ষ্য রয়েছে এই সংগঠনের। এসময় চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিকরা বলেন, যুগের সাথে তাল মিলিয়ে বাড়ছে প্রতিযোগিতা। আর এই প্রতিযোগিতা করতে গিয়ে অনেক সময়ই ভুল তথ্য কিংবা আংশিক সংবাদ প্রচারিত হচ্ছে। যার দায়ভার কোনভাবেই একজন রিপোর্টার এড়াতে পারেনা। তাই এই সংগঠন সেই সকল জায়গাগুলো চিহ্নিত করে সেইসব বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা। পরে চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের আঞ্চলিক প্রধান কামাল পারভেজ বলেন, সাংবাদিকদের জন্য বেশ কিছু সংগঠন থাকলেও চট্টগ্রামে টেলিভিশন রিপোর্টারদের জন্য কোন সতন্ত্র সংগঠন এতোদিন ছিলোনা। এই সংগঠন যে উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিয়ে যাত্রা শুরু করেছে তার একজন অংশিদার হতে পেরে আমি গর্বিত। তবে এই সংগঠনটি যাতে নিজেদের লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত না হয় তার দিকেও লক্ষ্য রাখতে বলেন তিনি। পরে তিনি সংগঠনটির আহবায়ক কমিটির নাম ঘোষণা করেন। এতে এখন টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান হোসাইন জিয়াদকে আহবায়ক, নাগরিক টেলিভিশনের এ কে আজাদকে যুগ্ম আহবায়ক করে ৭ সদস্যের কমিটি করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের সিনিয়র রিপোর্টার ফখরুল ইসলাম, এটিএন বাংলার স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ তাম্মিম মাহমুদ, এনটিভির সিনিয়র রিপোর্টার আরিচ আহমেদ শাহ, সময় টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফেরদৌস লিপি, যমুনা টিভির শহিদুল সুমন। এই আহবায়ক কমিটি আগামী ছয় মাসের মধ্যে সদস্য সংগ্রহ থেকে শুরু করে গঠনতন্ত্র প্রণয়ন ও সংগঠনটিকে দাঁড়া করাতে সবরকম কার্য সম্পাদন করবেন।
“রিপোর্টার্স আড্ডা” অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, এনটিভির ব্যুরো প্রধান শামসুল হক হায়দারি, চ্যানেল আই’এর ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ, বৈশাখী টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মোহসিন চৌধুরী, ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান আলমগীর সবুজ, মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান নাজমুল আলীম সাদেকি, ডিবিসি টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান মাসুদুল হক, বাংলা টিভির ব্যুরো প্রধান লোকমান চৌধুরী, এটিএন বাংলার সিনিয়র রিপোর্টার আবুল হাসনাত, সিনিয়র রিপোর্টার আরিস আহমেদ শাহ, এটিএন নিউজের মুনিরুল ইসলাম, আরটিভি রিপোর্টার সাইফুল ইসলাম, বৈশাখী টেলিভিশনের নাঈমুল ইসলাম, দেশ টিভির মোহাম্মদ নাজিম, সময় টিভির পার্থ প্রতীম বিশ্বাস, শফিকুল আলম, সিনিয়র রিপোর্টার আহসান রিটন, অনুপম শীল, স্টাফ রিপোর্টার আব্দুল্লাহ রাকিব, চ্যানেল টোয়েন্টি ফোরের সিনিয়র রিপোর্টার এমদাদুল হক, রণি দত্ত, জোবায়ের মনজুর, ইবেন মীর, যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার শহিদুল সুমন, জোবায়েদ ইবনে শাহাদাত, জিভিভির স্টাফ রিপোর্টার তৌহিদুল আলম, হুমায়ুন কবির, রিপোর্টার মুজিবুল হক, নিউজ টোয়েন্টি ফোরের সিনিয়র রিপোর্টার মীর মোঃ আকরাম হোসেন, এস এ টিভির সিনিয়র রিপোর্টার সোহাগ কুমার বিশ্বাস, এখন টিভির সিনিয়র রিপোর্টার ফায়সাল করিম, গ্লোবাল টেলিভিশনের স্টাফ রিপোর্টার মোঃ আলী রাশেদ, বিজয় টিভির স্টাফ রিপোর্টার মোরশেদ হোসেন চৌধুরী, একাত্তর টিভির সিনিয়র রিপোর্টার রাজীব বড়ুয়া, মোহনা টেলিভিশনের রিপোর্টার সুমন কুমার দে সহ অন্যান্যরা।