পালাতে গিয়ে মাছের ঘেরে লাফ, কাদায় আটকে ধরা

চকরিয়া

কক্সবাজার প্রতিনিধি

কক্সবাজারে চকরিয়া উপজেলায় যৌথ বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টায় মাছের ঘেরে লাফ দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান দিদারুল হক সিকদারের। কাদায় আটকে যাওয়ায় যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সেখানে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার কোনাখালী ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দিদারুল হক সিকদার কোনাখালী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি দীর্ঘদিন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন।

ওসি বলেন, দিদারুল হক সিকদার হত্যাসহ তিনটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। এর মধ্যে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রামে মোহাম্মদ ওয়াসিম হত্যার মামলাও রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছিল পুলিশ। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন দিদারুল হক। এ সময় হঠাৎ তিনটি গাড়িতে করে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা সেখানে পৌঁছায়। পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দোকান থেকে কৌশলে বের হয়ে পাশের একটি মাছের ঘেরে লাফ দেন তিনি। তবে ঘেরের কাদায় আটকে পড়লে যৌথ বাহিনীর সদস্যরা তাকে গ্রেপ্তার করে।

স্থানীয় বাসিন্দা আকিল ফেরদৌস বলেন, দিদারুল হক সিকদার কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জাফর আলমের অনুসারী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। তিনি ২০১১ ও ২০১৬ সালে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তবে ২০২১ সালে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।